০৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্ত্রীর কিডনি দান, তুর্কিস্তানে সফল প্রতিস্থাপন শেষে হেলিকপ্টারে বাড়ি ফেরা: আলোচনায় আলহাজ্ব কুদ্দুস বিশ্বাস

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:২৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ৬৮০

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআচড়া এলাকার বিশিষ্ট মাছ ব্যবসায়ী এবং শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কুদ্দুস বিশ্বাস (৫০) দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের মতে, জীবন রক্ষার একমাত্র উপায় ছিল কিডনি প্রতিস্থাপন। এই সংকটময় সময়ে তার স্ত্রী মোছাঃ ফারজানা (৩০) স্বামীকে বাঁচাতে এক মানবিক ও সাহসী সিদ্ধান্ত নেন—নিজের একটি কিডনি স্বেচ্ছায় দান করেন।

সকল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মিল পাওয়ার পর, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তুর্কিস্তানে পাঠানো হয়। সেখানকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘ চার মাসের চিকিৎসা শেষে, শুক্রবার বিকাল চারটার সময় হেলিকপ্টার করে তিনি নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে বাগআচড়া জনতা ইকোপার্ক মাঠে হেলিকপ্টার অবতরণ করে।

এ সময় পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। হাজার হাজার মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে রাস্তায় লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকেন। ফুল, মিষ্টি, ব্যানার আর শুভেচ্ছা বার্তায় বরণ করে নেন এলাকার এই পরিচিত মুখকে।

শার্শা উপজেলা সাবেক এমপি মোঃ মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন, “এই ঘটনা শুধু চিকিৎসার সাফল্য নয়, এটা ভালোবাসা, আত্মত্যাগ আর মানবিকতার দৃষ্টান্ত। ফারজানা ভাবী শুধু একজন স্ত্রী নন, একজন সাহসী নারীও।”

এলাকাবাসীর মুখে মুখে এখন শুধু এক কথাই—ভালোবাসা বেঁচে আছে, ফারজানার মতো মানুষদের মাধ্যমে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে উদ্ভব চন্দ্রপালের বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ, ব্যাগেজ সিন্ডিকেটে কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির দাবি

স্ত্রীর কিডনি দান, তুর্কিস্তানে সফল প্রতিস্থাপন শেষে হেলিকপ্টারে বাড়ি ফেরা: আলোচনায় আলহাজ্ব কুদ্দুস বিশ্বাস

আপডেট: ০৭:২৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআচড়া এলাকার বিশিষ্ট মাছ ব্যবসায়ী এবং শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কুদ্দুস বিশ্বাস (৫০) দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের মতে, জীবন রক্ষার একমাত্র উপায় ছিল কিডনি প্রতিস্থাপন। এই সংকটময় সময়ে তার স্ত্রী মোছাঃ ফারজানা (৩০) স্বামীকে বাঁচাতে এক মানবিক ও সাহসী সিদ্ধান্ত নেন—নিজের একটি কিডনি স্বেচ্ছায় দান করেন।

সকল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মিল পাওয়ার পর, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তুর্কিস্তানে পাঠানো হয়। সেখানকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘ চার মাসের চিকিৎসা শেষে, শুক্রবার বিকাল চারটার সময় হেলিকপ্টার করে তিনি নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে বাগআচড়া জনতা ইকোপার্ক মাঠে হেলিকপ্টার অবতরণ করে।

এ সময় পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। হাজার হাজার মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে রাস্তায় লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকেন। ফুল, মিষ্টি, ব্যানার আর শুভেচ্ছা বার্তায় বরণ করে নেন এলাকার এই পরিচিত মুখকে।

শার্শা উপজেলা সাবেক এমপি মোঃ মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন, “এই ঘটনা শুধু চিকিৎসার সাফল্য নয়, এটা ভালোবাসা, আত্মত্যাগ আর মানবিকতার দৃষ্টান্ত। ফারজানা ভাবী শুধু একজন স্ত্রী নন, একজন সাহসী নারীও।”

এলাকাবাসীর মুখে মুখে এখন শুধু এক কথাই—ভালোবাসা বেঁচে আছে, ফারজানার মতো মানুষদের মাধ্যমে।