০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: সেফটিক ট্যাংকে মিলল নিথর দেহ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১১

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিখোঁজের মাত্র একদিন পর সাড়ে চার বছরের শিশু তাবাসসুমের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত তাবাসসুম মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। তার পরিবার বর্তমানে কালীগঞ্জের বারবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। শিশুটির বাবা নজরুল ইসলাম পেশায় একজন দর্জি শ্রমিক এবং মা হালিমা খাতুন এনজিও ‘ওয়েব ফাউন্ডেশন’-এ কর্মরত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আড়াইটার পর থেকে তাবাসসুমকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা পাড়া-মহল্লাসহ সম্ভাব্য সব স্থানে সন্ধান চালালেও তার কোনো হদিস মেলেনি।
পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে বাদুড়গাছা গ্রামের এক কৃষক মাঠের দিকে যাওয়ার সময় আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে একটি রক্তমাখা বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। সন্দেহজনক বস্তাটি দেখে তিনি দ্রুত পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
“প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”
>
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

কিউবার জলসীমায় মার্কিন নৌযানে গোলাগুলি: নিহত ৪, বাড়ছে চরম উত্তেজনা

ঝিনাইদহে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: সেফটিক ট্যাংকে মিলল নিথর দেহ

আপডেট: ০১:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিখোঁজের মাত্র একদিন পর সাড়ে চার বছরের শিশু তাবাসসুমের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত তাবাসসুম মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। তার পরিবার বর্তমানে কালীগঞ্জের বারবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। শিশুটির বাবা নজরুল ইসলাম পেশায় একজন দর্জি শ্রমিক এবং মা হালিমা খাতুন এনজিও ‘ওয়েব ফাউন্ডেশন’-এ কর্মরত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আড়াইটার পর থেকে তাবাসসুমকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা পাড়া-মহল্লাসহ সম্ভাব্য সব স্থানে সন্ধান চালালেও তার কোনো হদিস মেলেনি।
পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে বাদুড়গাছা গ্রামের এক কৃষক মাঠের দিকে যাওয়ার সময় আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে একটি রক্তমাখা বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। সন্দেহজনক বস্তাটি দেখে তিনি দ্রুত পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
“প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”
>
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।