বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামীতে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান, নিরাপত্তা ও তাদের প্রাপ্য সকল অধিকার নিশ্চিত করা হবে। আন্দোলনের বীর সন্তানদের সুচিকিৎসায় প্রয়োজনে তাদের রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থাও করবে বিএনপি।
১০টায় ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবারবর্গের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন:
“আমাদের আন্দোলনের ধরন ছিল এক রকম, আর তরুণদের আন্দোলন ছিল অভাবনীয় সাহসী ও দৃঢ়। এই সম্মিলিত শক্তির কারণেই ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন সম্ভব হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের বীরদের কাছে দেশ চিরঋণী।”
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের অপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব স্পষ্ট করে বলেন, যারা ফ্যাসিস্ট কায়দায় জনগণের ওপর অপরাধ করেছে, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। বিচার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি বর্তমানে জুলাই যোদ্ধাদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি একটি অবহেলিত ও দরিদ্র জেলা। বিগত সরকারগুলো বড় কোনো কলকারখানা বা উন্নয়নের কাজ করেনি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই অঞ্চলের ভাগ্যবদলে বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন তিনি:
এই অঞ্চলে বৃহৎ পরিসরে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে।
: আইটি খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, যাতে তরুণরা ঘরে বসেই আয়ের সুযোগ পায়।
সভায় জেলা বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল আবারও অঙ্গীকার করেন যে, আহতদের উন্নত চিকিৎসার বিষয়টি বিএনপি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেখছে।




















