০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ভ্যানচালক শামীম হত্যা: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে যশোরের পুলিশ সুপার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬২

যশোর যশোরের ঝিকরগাছায় চাঞ্চল্যকর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক শামীম পারভেজ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘাতকদের গ্রেপ্তারের পর এবার নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। সোমবার তিনি নিহতের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন শামীম পারভেজ (২১)। পরদিন ৩০ জানুয়ারি ঝিকরগাছা থানার আঙ্গারপাড়া গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের সরাসরি নির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। অতি দ্রুততম সময়ে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনসহ প্রধান অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিল ও তার সহযোগী মামুনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া ভ্যানটিও।

সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার তাদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন। এ সময় তিনি শামীমের অন্ধ বাবার হাতে আর্থিক সহায়তার অনুদান তুলে দেন। ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি পরিবারকে আশ্বস্ত করেন।

আরিফ হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল)
দেওয়ান মোহাম্মদ শাহজালাল আলম, অফিসার ইনচার্জ (ঝিকরগাছা থানা)

মামলার প্রধান আসামি ইব্রাহিম খলিল আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ভ্যানটি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই সহজ-সরল শামীমকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপ ও মানবিকতা স্থানীয় পর্যায়ে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

ইসলামাবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আঞ্চলিক শান্তি ও যুক্তরাষ্ট্র সংলাপ ইস্যুতে বৈঠক

ভ্যানচালক শামীম হত্যা: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে যশোরের পুলিশ সুপার

আপডেট: ০৯:৩৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর যশোরের ঝিকরগাছায় চাঞ্চল্যকর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক শামীম পারভেজ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘাতকদের গ্রেপ্তারের পর এবার নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। সোমবার তিনি নিহতের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন শামীম পারভেজ (২১)। পরদিন ৩০ জানুয়ারি ঝিকরগাছা থানার আঙ্গারপাড়া গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের সরাসরি নির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। অতি দ্রুততম সময়ে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনসহ প্রধান অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিল ও তার সহযোগী মামুনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া ভ্যানটিও।

সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার তাদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন। এ সময় তিনি শামীমের অন্ধ বাবার হাতে আর্থিক সহায়তার অনুদান তুলে দেন। ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি পরিবারকে আশ্বস্ত করেন।

আরিফ হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল)
দেওয়ান মোহাম্মদ শাহজালাল আলম, অফিসার ইনচার্জ (ঝিকরগাছা থানা)

মামলার প্রধান আসামি ইব্রাহিম খলিল আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ভ্যানটি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই সহজ-সরল শামীমকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপ ও মানবিকতা স্থানীয় পর্যায়ে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।