১০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

রাজশাহীর  পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের পাকারমাথা এলাকায় নয় বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানান, ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। তাঁর বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি। বাবা মজিবুর রহমান স্থানীয়ভাবে ক্বারী হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন বাড়িতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে থাকেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ২২ দিন আগে শিশুটি প্রতিদিনের মতো পড়তে গেলে একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের বিদায় করে তাকে একা পেয়ে ওমর ফারুক তার শরীরে অনৈতিক স্পর্শ করেন। পরে বাড়ি ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়।

শিশুটির মায়ের দাবি, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হলেও তিনি ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওমর ফারুক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ওমর ফারুকের দাবি, শিশুটি মূলত তাঁর স্ত্রীর কাছেই পড়তে আসে। ঘটনার দিন তাঁর স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন, তবে কোনো ধরনের অনৈতিক আচরণ করেননি। তাঁর বাবা মজিবুর রহমানও অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক তাঁদের সংগঠনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। বিষয়টি তাঁর জানা আছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তাধীন। আদালতে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত অভিযুক্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

চৌগাছায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক আবু বক্কর, আবারও আলোচনায় কথিত ‘জেরিন সিন্ডিকেট’

৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি

আপডেট: ১২:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহীর  পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের পাকারমাথা এলাকায় নয় বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানান, ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। তাঁর বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি। বাবা মজিবুর রহমান স্থানীয়ভাবে ক্বারী হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন বাড়িতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে থাকেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ২২ দিন আগে শিশুটি প্রতিদিনের মতো পড়তে গেলে একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের বিদায় করে তাকে একা পেয়ে ওমর ফারুক তার শরীরে অনৈতিক স্পর্শ করেন। পরে বাড়ি ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়।

শিশুটির মায়ের দাবি, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হলেও তিনি ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওমর ফারুক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ওমর ফারুকের দাবি, শিশুটি মূলত তাঁর স্ত্রীর কাছেই পড়তে আসে। ঘটনার দিন তাঁর স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন, তবে কোনো ধরনের অনৈতিক আচরণ করেননি। তাঁর বাবা মজিবুর রহমানও অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক তাঁদের সংগঠনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। বিষয়টি তাঁর জানা আছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তাধীন। আদালতে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত অভিযুক্ত আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।