০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে ট্রলিতে টাকা নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা: পারিশ্রমিকের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অবস্থান কর্মসূচি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৯

যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ট্রলিতে রোগী বহনের বিনিময়ে স্বজনদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের দাবিতে আজ শনিবার (৭ মার্চ) সকালে হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ট্রলি বহনকারী স্বেচ্ছাসেবকরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বেতন বা সরকারি পারিশ্রমিক ছাড়াই রোগীদের জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ডে বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ট্রলিতে করে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে আসছিলেন। এই সেবার বিনিময়ে তারা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ‘বকশিশ’ নিতেন। তবে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নানা সময়ে অভিযোগ ওঠায় আজ সকালে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়েত নির্দেশ দেন যে, রোগীদের কাছ থেকে কোনোভাবেই কোনো টাকা নেওয়া যাবে না।
স্বেচ্ছাসেবকদের অবস্থান ও দাবি
তত্ত্বাবধায়কের এই সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে মফিজুল হক সাগরের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন স্বেচ্ছাসেবক হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো:
১. রোগীদের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থ বা বকশিশ নেওয়ার অনুমতি বহাল রাখা।
২. অথবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তাদের কাজের বিনিময়ে সরকারিভাবে নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা করা।
আন্দোলনরত স্বেচ্ছাসেবক মফিজুল হক সাগর বলেন:
> “আমরা বছরের পর বছর কোনো বেতন ছাড়া এই হাসপাতালে সেবা দিচ্ছি। রোগীদের বহন করে যে সামান্য টাকা পাই, তা দিয়েই আমাদের সংসার চলে। এখন টাকা নেওয়া বন্ধ করে দিলে আমরা সপরিবারে না খেয়ে মরব। হয় আমাদের বেতন দিন, না হয় আগের নিয়ম বহাল রাখুন।”
>

কর্মসূচি চলাকালীন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়েত দপ্তরে উপস্থিত না থাকায় এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রায় ৩০ মিনিট শান্তিপূর্ণ অবস্থান শেষে স্বেচ্ছাসেবকরা পুনরায় কাজে ফিরে গেলেও তারা জানিয়েছেন, দ্রুত দাবি আদায় না হলে তারা কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবেন।
একনজরে বর্তমান পরিস্থিতি
*

সর্বাধিক পঠিত

আপনাদের কারণেই আওয়ামী লীগ ফিরবে”—শিবিরকে নিয়ে রাশেদ খানের সমালোচনা

যশোরে ট্রলিতে টাকা নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা: পারিশ্রমিকের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট: ০২:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ট্রলিতে রোগী বহনের বিনিময়ে স্বজনদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের দাবিতে আজ শনিবার (৭ মার্চ) সকালে হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ট্রলি বহনকারী স্বেচ্ছাসেবকরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বেতন বা সরকারি পারিশ্রমিক ছাড়াই রোগীদের জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ডে বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ট্রলিতে করে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে আসছিলেন। এই সেবার বিনিময়ে তারা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ‘বকশিশ’ নিতেন। তবে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নানা সময়ে অভিযোগ ওঠায় আজ সকালে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়েত নির্দেশ দেন যে, রোগীদের কাছ থেকে কোনোভাবেই কোনো টাকা নেওয়া যাবে না।
স্বেচ্ছাসেবকদের অবস্থান ও দাবি
তত্ত্বাবধায়কের এই সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে মফিজুল হক সাগরের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন স্বেচ্ছাসেবক হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো:
১. রোগীদের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থ বা বকশিশ নেওয়ার অনুমতি বহাল রাখা।
২. অথবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তাদের কাজের বিনিময়ে সরকারিভাবে নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা করা।
আন্দোলনরত স্বেচ্ছাসেবক মফিজুল হক সাগর বলেন:
> “আমরা বছরের পর বছর কোনো বেতন ছাড়া এই হাসপাতালে সেবা দিচ্ছি। রোগীদের বহন করে যে সামান্য টাকা পাই, তা দিয়েই আমাদের সংসার চলে। এখন টাকা নেওয়া বন্ধ করে দিলে আমরা সপরিবারে না খেয়ে মরব। হয় আমাদের বেতন দিন, না হয় আগের নিয়ম বহাল রাখুন।”
>

কর্মসূচি চলাকালীন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়েত দপ্তরে উপস্থিত না থাকায় এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রায় ৩০ মিনিট শান্তিপূর্ণ অবস্থান শেষে স্বেচ্ছাসেবকরা পুনরায় কাজে ফিরে গেলেও তারা জানিয়েছেন, দ্রুত দাবি আদায় না হলে তারা কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবেন।
একনজরে বর্তমান পরিস্থিতি
*