ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বহুল প্রতিক্ষিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বিকেল ৩টায় রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ইশতেহার জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।
দলীয় সূত্র জানায়, এবারের ইশতেহারে গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে ‘নয়া বন্দোবস্ত’ বা নতুন রাজনৈতিক কাঠামোর প্রস্তাব করা হবে। ইশতেহারের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’।
দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ জানিয়েছেন, ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরোনো শাসনতান্ত্রিক বন্দোবস্ত উৎখাত করে একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে এতে ‘শরিয়াহ প্রাধান্য’ পাবে।
ইসলামী আন্দোলনের এবারের ইশতেহারে কয়েকটি বিশেষ দিক গুরুত্ব পাচ্ছে:: গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন ও আহতদের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার।
তারুণ্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক অধিকার ও সুশাসন নিশ্চিতকরণ।
: ভেঙে পড়া আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি।
: পারস্পরিক সহযোগিতা ও আত্মমর্যাদাশীল পররাষ্ট্র নীতি।: দেশের জ্বালানি খাতের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার উপস্থাপন করবেন। এ সময় দলটির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন খাতের বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি আমীর মুফতি রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইশতেহারের এই খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।




















