০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

যবিপ্রবিতে অবৈধ নিয়োগ ও অর্থ আত্মসাৎ: সাবেক ভিসিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • ৫৮২

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অবৈধ নিয়োগ ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ মঙ্গলবার যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা গ্রহণ করা হয়। মামলাটি করেন দুদকের যশোর কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন।

অন্য অভিযুক্তরা হলেন, যবিপ্রবির সহকারী পরিচালক (হিসাব) শরিফুল ইসলাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জিএম আনিছুর রহমান, যবিপ্রবির অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর শেষ আবুল হোসেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আজিজুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালে কোনো অনুমোদন ছাড়াই শরিফুলকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২০২০ সালে তাকে সহকারী পরিচালক (হিসাব) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শরিফুল ৫২ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৫ টাকা সরকারি তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতারণা ও আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে। তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সংরক্ষিত নারী আসনে যশোর থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সাবিরা সুলতানা মুন্নী

যবিপ্রবিতে অবৈধ নিয়োগ ও অর্থ আত্মসাৎ: সাবেক ভিসিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট: ১০:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অবৈধ নিয়োগ ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ মঙ্গলবার যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা গ্রহণ করা হয়। মামলাটি করেন দুদকের যশোর কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন।

অন্য অভিযুক্তরা হলেন, যবিপ্রবির সহকারী পরিচালক (হিসাব) শরিফুল ইসলাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জিএম আনিছুর রহমান, যবিপ্রবির অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর শেষ আবুল হোসেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আজিজুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালে কোনো অনুমোদন ছাড়াই শরিফুলকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২০২০ সালে তাকে সহকারী পরিচালক (হিসাব) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শরিফুল ৫২ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৫ টাকা সরকারি তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতারণা ও আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে। তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।