১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ঋণের চাপ সইতে না পেরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাঘারপাড়ার যুবকের মৃত্যু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫১৩

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নে ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকট সইতে না পেরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাজী আব্দুল কাদের (৩৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

নিহত কাজী আব্দুল কাদের উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন ঋণের বোঝা ও আর্থিক সমস্যার মধ্যে ছিলেন। পারিবারিক খরচ ও দেনার চাপ সামাল দিতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ জুন সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বাড়ির পেছনের একটি ফাঁকা স্থানে গিয়ে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসকরা নিবিড়ভাবে চিকিৎসা শুরু করেন।

কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। অবশেষে সোমবার রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তারা ধারণা করছেন, সেই হতাশা থেকেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, কাজী আব্দুল কাদের একজন শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন এবং আর্থিক সমস্যার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে উদ্বিগ্ন অবস্থায় চলাফেরা করছিলেন।

মৃত্যুর ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সাংবাদিকপুত্রের চুরি যাওয়া বাইসাইকেল উদ্ধার, সিসিটিভির সূত্র ধরে দুর্ধর্ষ চোর রকি আটক

ঋণের চাপ সইতে না পেরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাঘারপাড়ার যুবকের মৃত্যু

আপডেট: ১২:১৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নে ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকট সইতে না পেরে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাজী আব্দুল কাদের (৩৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

নিহত কাজী আব্দুল কাদের উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন ঋণের বোঝা ও আর্থিক সমস্যার মধ্যে ছিলেন। পারিবারিক খরচ ও দেনার চাপ সামাল দিতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ জুন সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বাড়ির পেছনের একটি ফাঁকা স্থানে গিয়ে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসকরা নিবিড়ভাবে চিকিৎসা শুরু করেন।

কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। অবশেষে সোমবার রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তারা ধারণা করছেন, সেই হতাশা থেকেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, কাজী আব্দুল কাদের একজন শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন এবং আর্থিক সমস্যার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে উদ্বিগ্ন অবস্থায় চলাফেরা করছিলেন।

মৃত্যুর ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।